হোম › কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার
খোঁজখবর থেকে সনদ পর্যন্ত — সেন্টারের পুরো হিসাব এক জায়গায়
কে খোঁজ নিতে এসেছিল, কাকে আজ ফোন করতে হবে, কোন ব্যাচে কয়টি আসন খালি, কার ফি পরিশোধের তারিখ পেরিয়ে গেছে — সব এক পর্দায়। ভর্তির সময় ফি কয় ধাপে কবে দিতে হবে তা নিজে থেকে ভাগ হয়, টাকা নিলে রসিদ ছাপা যায়, আর হিসাব সরাসরি ক্যাশ বইয়ে ওঠে।
কোনো টাকা না দিয়েই আজ থেকে পুরো সফটওয়্যার চালান — ভর্তি, ফি, হাজিরা, পরীক্ষা, সনদ, এসএমএস নোটিশ সব। সঙ্গে সেন্টারের নিজের ওয়েব পাতা, একদম ফ্রি।
সেশন ধরে নয়, মাস ধরে — মাসে ২০০/- টাকা, বছরে ২,৪০০/- টাকা। প্যাকেজের সঙ্গে বোনাস এসএমএস, আর প্যাকেজ ভেদে বাড়তি মেয়াদের সুযোগ।
ফ্রি মাসের পরে প্রথম প্যাকেজ কেনা পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৪ মাস বাকিতে চালানো যায়; প্রথম প্যাকেজে বকেয়া মাসগুলো শোধ হয়।
মেয়াদ ফুরোলে বা বাকি ৪ মাস ছাড়ালে শুধু নতুন ভর্তি বন্ধ — ফি আদায়, রসিদ, হাজিরা, পরীক্ষা, সনদ, “আমার পাতা” সব চলে।
তালিকার বাইরের নম্বর বা কোড ছাড়া নিবন্ধন করলে আমরা ফোনে মিলিয়ে চালু করে দিই।
অভিভাবককে নোটিশ যায় সেন্টারের কেনা এসএমএস থেকে — দরকারমতো কিনে নেওয়া যায়।
আপনার শিক্ষার্থী, টাকা আর খাতা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান দেখতে পায় না।
কোর্সের নাম, মেয়াদ, ফি, ভর্তি ফি ও সিলেবাস; প্রতিটি কোর্সের একাধিক ব্যাচ — সময়, দিন, ল্যাব, প্রশিক্ষক ও আসনসংখ্যা। কয়টি আসন ভরা, এক নজরে।
যারা খোঁজ নিতে আসে বা ফোন করে — নাম, মোবাইল, আগ্রহের কোর্স, কোথা থেকে জেনেছে আর কবে আবার ফোন করতে হবে। আজকের ফলো-আপের তালিকা ড্যাশবোর্ডে, এক চাপে ভর্তি।
নাম (বাংলা ও ইংরেজি), মোবাইল, জন্ম তারিখ, শিক্ষাগত যোগ্যতা, ঠিকানা, অভিভাবক ও ছবি। রেজিস্ট্রেশন নম্বর নিজে বসে; ব্যাচ ভরা থাকলে অপেক্ষার তালিকায়।
কোর্স ফি, ভর্তি ফি আর ছাড় দিয়ে বলুন কয় ধাপে ফি নেবেন — প্রতিটি ধাপের তারিখ ও টাকা নিজে থেকে বসে যায়।
নগদ, বিকাশ, নগদ (Nagad) বা ব্যাংক — যে হিসাবে টাকা এলো সেটিতেই জমা; রসিদ সঙ্গে সঙ্গে ছাপা যায়, আর টাকাটি ক্যাশ বইয়েও ওঠে।
কার ফি পরিশোধের তারিখ কত দিন পেরিয়েছে, কার সামনে আসছে — আলাদা করে দেখা যায়।
দিন ধরে ব্যাচের হাজিরা — উপস্থিত, অনুপস্থিত বা দেরিতে; প্রতিটি শিক্ষার্থীর হাজিরার হার।
সেটিংস থেকে পর্দার ভাষা বাংলা বা ইংরেজি — মেনু, পাতা ও রসিদ সেই ভাষায়।
পরীক্ষা, নম্বর ও গ্রেড; প্রবেশপত্র, পরীক্ষার হাজিরা শিট, নম্বর এন্ট্রি শিট, ফলাফল, মার্কশিট, রুটিন, শিক্ষার্থীর তালিকা, আইডি কার্ড ও ভর্তি ফরম — এক চাপে ছাপা।
প্রতিষ্ঠানের নিজের প্রশিক্ষণ সনদ, কিউআর কোডে যাচাই; কারিগরি বোর্ডের রেজিস্ট্রেশন ও রোল নম্বর, পাঠানোর তারিখ, কার্ড আসা ও দেওয়া — কোনটি বাকি, মেনুতেই সংখ্যা।
শিক্ষার্থী ও অভিভাবক মোবাইল নম্বর আর রসিদে ছাপা কোড দিয়ে নিজের পাতায় ঢোকেন — ভর্তির তথ্য, ফি, হাজিরা ও ফল।
ভর্তি, টাকা জমা, ফির তারিখ, অনুপস্থিতি, পরীক্ষার আগের দিন, ফল আর বোর্ডের কার্ড আসা — প্রতিটির আলাদা সুইচ, নিজের লেখা, একই খবর দুবার নয়।
সময় বেছে ভর্তি, আদায়, ছাড়, বকেয়া; কোর্স ধরে হিসাব, খোঁজখবর থেকে কত ভর্তি, ব্যাচের আসন আর ১২ মাসের আদায়।
কোন ব্যাচে কোন দিন কে ক্লাস নিলেন — হাজিরা দিলেই খাতায় বসে; খণ্ডকালীন প্রশিক্ষকের সম্মানী ক্লাস গুনে, খরচের খাতায়।
ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা কার্ডের যন্ত্রে পাঞ্চ করলেই শিক্ষার্থী ব্যাচে উপস্থিত, দেরিতে এলে দেরিতে।
কোর্স শেষ করা শিক্ষার্থীরা কে কোথায় কাজ করছে — হার এক নজরে, পাশে নতুন চাকরির খবর।
ছয় ঘণ্টা পরপর পুরো তথ্যের ব্যাকআপ হয়, আর রাতে একটি কপি গুগল ড্রাইভে চলে যায়। সার্ভারে কিছু হলেও হিসাব হারায় না।
মাসে পুরো হিসাবের একটি ফাইল আপনাকে দেওয়া হয় — প্রোফাইল পাতা থেকে নামিয়ে নিজের কম্পিউটার বা পেনড্রাইভে রাখতে পারবেন।
প্রত্যেক কর্মীর নিজের লগইন। কে কোন পাতা দেখবেন, কে টাকা বসাতে পারবেন, কে কেবল দেখবেন — আপনি ঠিক করে দেবেন।
টাকার প্রতিটি সারি, প্রতিটি মুছে ফেলা, প্রতিটি অনুমতির বদল — কে, কখন, কোন যন্ত্র থেকে, সব লেখা থাকে।
কর্মচারীর বেতন, ভাতা ও অগ্রিম — হাজিরার সঙ্গে মিলিয়ে বেতন শিট তৈরি হয়, ছাপাও যায়।
গ্রাহক বা সদস্যকে সরাসরি এসএমএস। যত টাকার এসএমএস কিনবেন ততটুকুই খরচ — মাসিক কোনো বিল নেই।
প্রতিটি কাগজের পেজ সাইজ, অরিয়েন্টেশন ও মার্জিন আপনি নিজের প্রিন্টারের সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারবেন।
মোবাইলে ছয় সংখ্যার কোড — অ্যাডমিনসহ সবার। এসএমএস না এলে আগে থেকে বানিয়ে রাখা ব্যাকআপ কোড দিয়েও ঢোকা যায়।
আলাদা অ্যাপ লাগে না। ফোনের ব্রাউজারেই সবকিছু চলে, আর চাইলে হোম স্ক্রিনে আইকন বসিয়ে নেওয়া যায়।
যায়। সেটিংস থেকে একটি বাছাইয়ে মডিউলের মেনু, পাতা ও রসিদ ইংরেজি বা বাংলা হয়।
পারবে। প্রতিটি ভর্তির ফি ও পরিশোধের ধাপ আলাদা থাকে, শিক্ষার্থীর পাতায় সব একসঙ্গে দেখা যায়।
ভরা ব্যাচে নতুন ভর্তি বসে না; শিক্ষার্থীকে অপেক্ষার তালিকায় রাখা যায়, পরে ব্যাচ দিয়ে দেওয়া যায়।
ওঠে। ফি আদায় সরাসরি ক্যাশ বই ও টাকার হিসাবে বসে, খরচও একই খাতায় — মাস শেষে লাভ-ক্ষতি মিলে যায়।
না। বোর্ডের সনদ বোর্ডই দেয়; এখানে বোর্ডের রেজিস্ট্রেশন, রোল ও ফলের হিসাব থাকে, আর চাইলে প্রতিষ্ঠানের নিজের প্রশিক্ষণ সনদ ছাপা যায়।
যায়। এক্সেল বা CSV ফাইল থেকে একবারে — আগে তালিকা দেখায়, তারপর তোলে; আগের জমাও বসে যায়।
যায়। ফ্রি প্ল্যানে অ্যাকাউন্ট খুলে এক মাস পুরো সফটওয়্যারটি চালিয়ে দেখুন — টাকা লাগবে না, কার্ড লাগবে না। পছন্দ হলে পরে প্ল্যান নেবেন, তখন আগের সব হিসাব অক্ষত থাকবে।
ক্লাউডে, আপনার প্রতিষ্ঠানের নিজের ঘরে। অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান আপনার তথ্যের একটি সারিও দেখতে পায় না — এটি অনুমতির ব্যাপার নয়, তথ্য আনার সময়েই আটকানো।
ছয় ঘণ্টা পরপর নিজে থেকেই, আর রাতে একটি কপি গুগল ড্রাইভে। এছাড়া মাসে একবার পুরো হিসাবের একটি ফাইল আপনাকে দেওয়া হয় — নামিয়ে নিজের কাছেও রাখতে পারবেন।
যায়। প্রত্যেকের নিজের লগইন, আর কে কোন পাতা দেখবেন ও কী করতে পারবেন তা আপনি ঠিক করে দেবেন। কে কখন কী বদলেছেন তা-ও লেখা থাকে।
না। হাতেও হাজিরা নেওয়া যায়। আঙুলের ছাপের যন্ত্র থাকলে যুক্ত করে নিলে কাজটা নিজে থেকেই হয় — দেরি, ছুটি ও পালাসহ।
সফটওয়্যারটি ক্লাউডে, তাই ইন্টারনেট লাগে। তবে খুব কম — সাধারণ মোবাইল ডেটাতেই চলে, আর বিল বা রিপোর্ট ছাপতে বাড়তি কিছু লাগে না।
ফ্রি প্ল্যান আছে, আর টাকার প্ল্যানগুলোর দাম হোমপেজের “দাম ও প্ল্যান” অংশে দেখা যায়। প্ল্যান যেকোনো সময় বদলানো যায়, হিসাব অক্ষত থাকে।
টাকা লাগবে না, কার্ড লাগবে না। পছন্দ হলে পরে প্ল্যান নেবেন।