হোম › সমিতি ও সঞ্চয়
খাতা থাক সমিতিতে, হিসাব থাক হাতে
সদস্যের সঞ্চয়, কিস্তি ও ঋণ — পুরো সমিতির হিসাব এক জায়গায়, পুরোটাই বাংলায়। মাঠকর্মীর আদায় শীট ছাপা যায়, আর দেরির জরিমানা নিজে থেকেই বসে।
সদস্য খুঁজে কিস্তি নিন — যেদিন টাকা দেন সেই তারিখ ধরে কত দাঁড়াল তা দেখায় (আজ, আগের বা সামনের কোনো দিনেরও)। একই ফর্মে সঞ্চয় জমা, পুরো শোধ করে ফাইল বন্ধ, আর রসিদ ছাপা।
মাঠকর্মী কার কাছ থেকে কত সঞ্চয় ও কিস্তি তুলবেন — ছাপা শীট নিয়ে বেরোবেন, ফিরে এসে এক পাতায় সবার আদায় একসাথে বসাবেন।
সদস্য ও অসদস্য ঋণগ্রহীতা — সদস্য নম্বর, কেন্দ্র, পেশা ও ব্যবসার তথ্য, মাসিক আয়, আর নমিনির নাম, সম্পর্ক, মোবাইল, পরিচয়পত্র ও ছবি।
সাধারণ সঞ্চয়, মেয়াদি সঞ্চয় (ডিপিএস), স্থায়ী সঞ্চয় ও শেয়ার — দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক জমার লক্ষ্য আর মুনাফার হার। জমা, উত্তোলন, আর হিসাব বন্ধে মুনাফাসহ পুরো টাকা ফেরত।
প্রতিটি সঞ্চয় হিসাবের পাসবই ছাপা; জমা, উত্তোলন ও কিস্তির রসিদ দুই কপিতে।
একজন সদস্যের সব খাত বা একটি খাতের পুরো বিবরণী — ছাপিয়ে হাতে দেওয়া যায়।
সদস্যের আবেদন জমা (নতুন মানুষ হলে সেখান থেকেই সদস্য তৈরি), তারপর অনুমোদন, প্রত্যাখ্যান বা বাতিল — অনুমোদনের পর বিতরণ।
সুদের সাতটি পদ্ধতি — ফ্ল্যাট হার, কমতি ব্যালেন্সে সমান কিস্তি বা সমান মূল, দৈনিক সুদের তিনটি ধরন, আর মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির (MRA) দৈনিক ক্রমহ্রাসমান হার। সাপ্তাহিক বা মাসিক কিস্তি, ঋণের ফি, জামিনদার ও উদ্দেশ্য — কিস্তির সূচি নিজে থেকেই তৈরি হয়।
প্রতিটি ঋণের চুক্তিপত্র ছাপা — সমিতির নিজের বাড়তি শর্তগুলো একবার লিখে দিলে সব চুক্তিপত্রে বসে।
কমতি ব্যালেন্সের ঋণে আগাম মূল শোধ করলে পরের কিস্তি নতুন করে বসে। নতুন হার, মেয়াদ বা ধরনে পুনঃতফসিল, আর দরকারে বাকি সুদ মওকুফ করে ঋণ নিষ্পত্তি।
কে কত কিস্তি পিছিয়ে, কত দিনের — তালিকা থেকে বেছে বেছে এসএমএস রিমাইন্ডার পাঠানো যায়।
প্রতি দিনের জরিমানা, কত দিন ছাড় আর সর্বোচ্চ সীমা — নিয়ম একবার বসালে রোজ নিজে থেকেই বসে। দরকারে হাতেও জরিমানা বসানো বা মওকুফ করা যায়।
কিস্তির তারিখের কত দিন আগে আর কত দিন পরপর এসএমএস যাবে ঠিক করে দিন; ঋণ ও সঞ্চয়ের বার্তার খসড়া নিজে লিখে নিন।
সভার ঘোষণা, ছুটি বা শুভেচ্ছা — সব সদস্য, একটি কেন্দ্র, কেবল ঋণগ্রহীতা বা কেবল বকেয়া সদস্যদের একসাথে।
জমা, উত্তোলন ও কিস্তির নিশ্চিতকরণ; ঋণের আবেদন জমা, অনুমোদন, প্রত্যাখ্যান, বিতরণ, পরিশোধ ও সংশোধনের খবর — কোনটি যাবে আর কোন বাক্যে, আপনি ঠিক করবেন।
কেন্দ্র অনুযায়ী, আদায়কারী (মাঠকর্মী) অনুযায়ী, সদস্য খতিয়ান, পেশা ও ধরন অনুযায়ী ঋণ, ঋণ রেজিস্টার, বকেয়ার বয়স, খেলাপি ঋণ (৯০ দিনের বেশি) আর আয়-ব্যয় ও আর্থিক অবস্থা — ছাপা ও এক্সেলে (CSV) নামানো যায়।
সঞ্চয়, ডিপিএস, শেয়ার, ঋণের মূল, সুদ বা সার্ভিস চার্জ, জরিমানা ও ঋণের ফি — সদস্য ও দিন ধরে কোন খাতে কত এল।
সদস্য, সঞ্চয়ের জের ও চলমান ঋণ — নমুনা ফাইল ভরে বা কপি করা লেখা দিয়ে একবারে তোলা; বসানোর আগে পুরোটা দেখে নিশ্চিত করা যায়।
কার কত শেয়ার বা মূলধন, কে কত লভ্যাংশ পেয়েছেন, আর সমিতির আয়-ব্যয় — এক পাতায়।
কোন মাসে কে কত পাবেন, আগেই দেওয়া হয়েছে কি না — এক পাতা থেকে সবাইকে। চালু রাখলে প্রতি মাসের ১ তারিখে আগের মাসের লভ্যাংশ নিজে থেকেই বসে।
বছর শেষে লাভের টাকা শেয়ারের জমা অনুযায়ী সদস্যদের মধ্যে ভাগ — কে কত পাবেন আগে দেখে তারপর বসানো।
মাঠকর্মী আদায়, আদায় শীট, সদস্য ও বকেয়ার পাতা দেখেন — ক্যাশ বই, রিপোর্ট বা মূলধনের পাতা তাঁর কাছে খোলে না।
মোট সদস্য ও ঋণগ্রহীতা, মোট সঞ্চয় ও শেয়ার, বাজারে ঋণ, বকেয়া কিস্তি ও সঞ্চয়, আর আজকের আদায় — খুললেই এক নজরে।
সদস্য, জামিনদার ও অন্যান্য পক্ষের পাওনা-দেনার খাতা।
সদস্যদের জমা রাখা আমানত আলাদা খতিয়ানে — তুললে বা ঋণের সঙ্গে সমন্বয় হলে এখান থেকে লেখা যায়।
অফিসের নগদ, ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের হিসাব, আর খাত ধরে খরচ — এক জায়গায়।
জমা নেওয়া বা দেওয়া চেকের তারিখ আগেভাগে মনে করিয়ে দেয়।
রাতে মালিকের ফোনে আজকের ঋণ বিতরণ, আদায়, সার্ভিস চার্জ ও জরিমানা, খরচ, ক্যাশ আর বকেয়ার সারাংশ।
অফিস ও মাঠের কর্মীর পালা, হাজিরার সঙ্গে মিলিয়ে।
ছয় ঘণ্টা পরপর পুরো তথ্যের ব্যাকআপ হয়, আর রাতে একটি কপি গুগল ড্রাইভে চলে যায়। সার্ভারে কিছু হলেও হিসাব হারায় না।
মাসে পুরো হিসাবের একটি ফাইল আপনাকে দেওয়া হয় — প্রোফাইল পাতা থেকে নামিয়ে নিজের কম্পিউটার বা পেনড্রাইভে রাখতে পারবেন।
প্রত্যেক কর্মীর নিজের লগইন। কে কোন পাতা দেখবেন, কে টাকা বসাতে পারবেন, কে কেবল দেখবেন — আপনি ঠিক করে দেবেন।
টাকার প্রতিটি সারি, প্রতিটি মুছে ফেলা, প্রতিটি অনুমতির বদল — কে, কখন, কোন যন্ত্র থেকে, সব লেখা থাকে।
আঙুলের ছাপের যন্ত্র সরাসরি যুক্ত করা যায় — কর্মীর হাজিরা, দেরি ও পালা নিজে থেকেই বসে যায়। যন্ত্র না থাকলে হাতেও নেওয়া যায়।
কর্মচারীর বেতন, ভাতা ও অগ্রিম — হাজিরার সঙ্গে মিলিয়ে বেতন শিট তৈরি হয়, ছাপাও যায়।
গ্রাহক বা সদস্যকে সরাসরি এসএমএস। যত টাকার এসএমএস কিনবেন ততটুকুই খরচ — মাসিক কোনো বিল নেই।
প্রতিটি কাগজের পেজ সাইজ, অরিয়েন্টেশন ও মার্জিন আপনি নিজের প্রিন্টারের সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারবেন।
মোবাইলে ছয় সংখ্যার কোড — অ্যাডমিনসহ সবার। এসএমএস না এলে আগে থেকে বানিয়ে রাখা ব্যাকআপ কোড দিয়েও ঢোকা যায়।
আলাদা অ্যাপ লাগে না। ফোনের ব্রাউজারেই সবকিছু চলে, আর চাইলে হোম স্ক্রিনে আইকন বসিয়ে নেওয়া যায়।
যায়। প্রতিটি শাখা আলাদা প্রতিষ্ঠান হিসেবে চলে, আর উপরের তালিকা থেকে এক শাখা থেকে আরেকটিতে যাওয়া যায়।
যতটুকু চান। প্রত্যেক কর্মীর নিজের লগইন, আর কে কোন পাতা দেখবেন ও কী করতে পারবেন তা আপনি ঠিক করে দেবেন।
পারবেন। কত দিন পরে কত — নিয়মটি বসিয়ে দিলে রোজ নিজে থেকেই বসে, কাউকে হাতে কষতে হয় না।
সদস্যের খাতা ছাপিয়ে দেওয়া যায়, আর আদায়ের সঙ্গে সঙ্গে এসএমএসে খবর পাঠানো যায়।
যাবে। আগের সঞ্চয় ও বকেয়া একবারে বসিয়ে নিয়ে সেখান থেকেই চালানো যায়।
সাতটি — ফ্ল্যাট হার, কমতি ব্যালেন্সে সমান কিস্তি, কমতি ব্যালেন্সে সমান মূল, দৈনিক সুদের তিনটি ধরন, আর মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির (MRA) দৈনিক ক্রমহ্রাসমান হার। ঋণ দেওয়ার সময় যেটি চলে সেটি বাছুন।
যায়। কমতি ব্যালেন্সের ঋণে আগাম মূল শোধ করলে পরের কিস্তি নতুন করে বসে; দরকারে নতুন হার, মেয়াদ বা ধরনে পুনঃতফসিল, কিংবা বাকি সুদ মওকুফ করে ঋণ নিষ্পত্তিও করা যায়।
যায়। শর্তগুলো প্রতি লাইনে একটি করে একবার লিখে দিন — এরপর ছাপা প্রতিটি ঋণ চুক্তিপত্রে সেগুলো বসে।
যায়। ফ্রি প্ল্যানে অ্যাকাউন্ট খুলে এক মাস পুরো সফটওয়্যারটি চালিয়ে দেখুন — টাকা লাগবে না, কার্ড লাগবে না। পছন্দ হলে পরে প্ল্যান নেবেন, তখন আগের সব হিসাব অক্ষত থাকবে।
ক্লাউডে, আপনার প্রতিষ্ঠানের নিজের ঘরে। অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান আপনার তথ্যের একটি সারিও দেখতে পায় না — এটি অনুমতির ব্যাপার নয়, তথ্য আনার সময়েই আটকানো।
ছয় ঘণ্টা পরপর নিজে থেকেই, আর রাতে একটি কপি গুগল ড্রাইভে। এছাড়া মাসে একবার পুরো হিসাবের একটি ফাইল আপনাকে দেওয়া হয় — নামিয়ে নিজের কাছেও রাখতে পারবেন।
যায়। প্রত্যেকের নিজের লগইন, আর কে কোন পাতা দেখবেন ও কী করতে পারবেন তা আপনি ঠিক করে দেবেন। কে কখন কী বদলেছেন তা-ও লেখা থাকে।
না। হাতেও হাজিরা নেওয়া যায়। আঙুলের ছাপের যন্ত্র থাকলে যুক্ত করে নিলে কাজটা নিজে থেকেই হয় — দেরি, ছুটি ও পালাসহ।
সফটওয়্যারটি ক্লাউডে, তাই ইন্টারনেট লাগে। তবে খুব কম — সাধারণ মোবাইল ডেটাতেই চলে, আর বিল বা রিপোর্ট ছাপতে বাড়তি কিছু লাগে না।
ফ্রি প্ল্যান আছে, আর টাকার প্ল্যানগুলোর দাম হোমপেজের “দাম ও প্ল্যান” অংশে দেখা যায়। প্ল্যান যেকোনো সময় বদলানো যায়, হিসাব অক্ষত থাকে।
টাকা লাগবে না, কার্ড লাগবে না। পছন্দ হলে পরে প্ল্যান নেবেন।