হোম › রেস্টুরেন্ট
খাতা থাক ক্যাশে, হিসাব থাক হাতে
কোন টেবিলে কী অর্ডার, কত বিল — ব্যস্ত সময়েও গুলিয়ে যায় না। পুরো রেস্টুরেন্টের হিসাব এক জায়গায়, পুরোটাই বাংলায়।
সব টেবিল এক পর্দায় — কোনটি খালি, কোনটিতে অর্ডার চলছে, কত হলো। খালি টেবিলে চাপলেই নতুন অর্ডার খোলে, আর বিল হলে টেবিল নিজে থেকেই মুক্ত হয়।
পার্সেল বা বাসায় পাঠানোর অর্ডার টেবিল ছাড়াই খোলা যায় — গ্রাহকের নাম ও মোবাইলসহ।
অতিথি পরে আরও চাইলে নতুন দফা যোগ হয়, প্রতিটি আইটেমে নোট (“ঝাল কম”) লেখা যায়। প্রতিটি দফার স্লিপ (কেওটি) রান্নাঘরের জন্য ছাপা যায়।
রান্নাঘরের নিজের পর্দা — নতুন, রান্না হচ্ছে, তৈরি — তিন সারিতে। ওয়েটার অর্ডার দিলেই আইটেম সেখানে ওঠে, আর মেনুতে নতুন আইটেমের সংখ্যা দেখায়।
ভুল অর্ডার কারণ লিখে বাতিল করা যায়। পরিবেশন হয়ে যাওয়া আইটেম কেবল মালিক বাতিল করতে পারেন, আর প্রতিটি বাতিল লগে থাকে।
অতিথি অন্য টেবিলে উঠে গেলে অর্ডারটিও সরে যায়। অতিথির সংখ্যা, নাম-মোবাইল ও নোট পরে বদলানো যায়।
বিলে ছাড় দিন, সার্ভিস চার্জ ও ভ্যাট নিজে থেকেই যোগ হয়। নগদ, ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিং — কোন হিসাবে টাকা এল বাছুন; আংশিক দিলে বাকিটা গ্রাহকের নামে খাতায় ওঠে।
বিল ছাপিয়ে হাতে দেওয়া — ৩ বা ২ ইঞ্চি চওড়া থার্মাল রোলে বা নিজের কাগজের মাপে।
কারণ লিখে পুরো অর্ডার বাতিল। বিল হয়ে যাওয়া অর্ডার কেবল মালিক বাতিল করতে পারেন — তখন টাকার হিসাবও নিজে থেকে উল্টে যায়।
তারিখ ও অবস্থা (চলছে, বিল হয়েছে, বাতিল) ধরে সব অর্ডার — মোট বিক্রি, ছাড় আর কতগুলো এখনো চলছে, উপরেই।
খাবারের ক্যাটাগরি, আইটেম, বিক্রির দর ও খরচ; টেবিলের নাম, অংশ ও আসন; আর সার্ভিস চার্জ ও ভ্যাটের শতাংশ। দর বদলালে কেবল নতুন অর্ডারে লাগে, পুরনো বিল যেমন ছিল তেমনই থাকে।
কোনো খাবার ফুরিয়ে গেলে এক চাপে “আজ শেষ” — অর্ডারের তালিকায় আর আসে না, পরে আবার এক চাপে ফেরে।
আজকের বিক্রি ও বিলের সংখ্যা, চলতি অর্ডার, কতগুলো টেবিল ভরা, আজ সবচেয়ে বেশি চলা আইটেম, রান্নাঘরে অপেক্ষমাণ আইটেম আর ক্যাশে কত।
বাজারের সরবরাহকারী আর বাকিতে খাওয়া গ্রাহক — কার কত পাওনা-দেনা, খাতা ধরে।
বাজার, গ্যাস, বিদ্যুৎ, মজুরি — খাত ধরে খরচ, আর দিনের নগদ ও ব্যাংকের হিসাব।
অনুষ্ঠানের অর্ডার বা নিয়মিত গ্রাহকের অগ্রিম আলাদা খতিয়ানে।
জমা নেওয়া বা দেওয়া চেকের তারিখ আগেভাগে মনে করিয়ে দেয়।
যেকোনো সময়ের খাবার ও পানীয় বিক্রি, আইটেমে খরচ বসানো থাকলে আনুমানিক কাঁচামাল খরচ, সার্ভিস চার্জ, ছাড়, ভ্যাট আর খরচ বাদে লাভ।
রাতে মালিকের ফোনে আজকের খাবার বিক্রি, সার্ভিস চার্জ, খরচ ও ক্যাশের সারাংশ।
দিন-রাতের পালা, হাজিরার সঙ্গে মিলিয়ে।
রেস্টুরেন্ট ম্যানেজার, ক্যাশিয়ার, ওয়েটার ও রান্নাঘর — প্রতিটি পদের অনুমতি আগে থেকে সাজানো। ওয়েটার অর্ডার নেন কিন্তু বিল করেন না, রান্নাঘরের লোক কেবল রান্নাঘরের পর্দা দেখেন।
মেনুর ক্যাটাগরি ধরে বিক্রি — ভাত, ফাস্ট ফুড, পানীয় — সাথে ছাড়, সার্ভিস চার্জ ও ভ্যাট; কোন খাতে কত উঠল, তারিখ ধরে দেখা ও ছাপা যায়।
কার কাছে কত বাকি, আর সেই বাকি কত দিনের পুরনো — ০–৩০, ৩১–৬০, ৬১–৯০, ৯১–১৮০ আর ১৮০ দিনের বেশি, পাঁচ ভাগে। শোধ হওয়া টাকা সবচেয়ে পুরনো বিল থেকে কাটা ধরা হয়, সবচেয়ে পুরনো বাকি যাঁর তিনি উপরে; নিজের দেনার দিকটিও আলাদা দেখা ও ছাপা যায়।
চা, নাশতা বা পার্সেল — টেবিল না খুলে মেনু থেকে চেপে ঝুড়িতে তুলুন, ছাড় দিন, এক চাপে বিল। সার্ভিস চার্জ ও ভ্যাট নিজেই বসে, নগদ লিখলে কত ফেরত দিতে হবে দেখায়, বাকি রাখতে গ্রাহক বাছুন; বিলের রসিদ ছাপার বোতাম সঙ্গে সঙ্গে আসে।
ছয় ঘণ্টা পরপর পুরো তথ্যের ব্যাকআপ হয়, আর রাতে একটি কপি গুগল ড্রাইভে চলে যায়। সার্ভারে কিছু হলেও হিসাব হারায় না।
মাসে পুরো হিসাবের একটি ফাইল আপনাকে দেওয়া হয় — প্রোফাইল পাতা থেকে নামিয়ে নিজের কম্পিউটার বা পেনড্রাইভে রাখতে পারবেন।
প্রত্যেক কর্মীর নিজের লগইন। কে কোন পাতা দেখবেন, কে টাকা বসাতে পারবেন, কে কেবল দেখবেন — আপনি ঠিক করে দেবেন।
টাকার প্রতিটি সারি, প্রতিটি মুছে ফেলা, প্রতিটি অনুমতির বদল — কে, কখন, কোন যন্ত্র থেকে, সব লেখা থাকে।
আঙুলের ছাপের যন্ত্র সরাসরি যুক্ত করা যায় — কর্মীর হাজিরা, দেরি ও পালা নিজে থেকেই বসে যায়। যন্ত্র না থাকলে হাতেও নেওয়া যায়।
কর্মচারীর বেতন, ভাতা ও অগ্রিম — হাজিরার সঙ্গে মিলিয়ে বেতন শিট তৈরি হয়, ছাপাও যায়।
গ্রাহক বা সদস্যকে সরাসরি এসএমএস। যত টাকার এসএমএস কিনবেন ততটুকুই খরচ — মাসিক কোনো বিল নেই।
প্রতিটি কাগজের পেজ সাইজ, অরিয়েন্টেশন ও মার্জিন আপনি নিজের প্রিন্টারের সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারবেন।
মোবাইলে ছয় সংখ্যার কোড — অ্যাডমিনসহ সবার। এসএমএস না এলে আগে থেকে বানিয়ে রাখা ব্যাকআপ কোড দিয়েও ঢোকা যায়।
আলাদা অ্যাপ লাগে না। ফোনের ব্রাউজারেই সবকিছু চলে, আর চাইলে হোম স্ক্রিনে আইকন বসিয়ে নেওয়া যায়।
চলে। আবাসিক হোটেল ও রিসোর্ট মডিউলের ভিতরেই রেস্টুরেন্টের অংশ আছে, আর বিল অতিথির রুমের বিলে যোগ হয়। আলাদা প্রতিষ্ঠান হিসেবে রাখলে হিসাবও আলাদা থাকে।
যায়। ওয়েটার অর্ডার দিলেই রান্নাঘরের পর্দায় ওঠে, আর প্রতিটি দফার স্লিপও ছাপা যায়।
যায়। প্রতিটি অর্ডারে টেবিল, টেকঅ্যাওয়ে না ডেলিভারি তা লেখা থাকে, তাই অর্ডারের তালিকায় দেখেই চেনা যায়। তবে ধরন ধরে আলাদা মোটের হিসাব নেই।
না। পুরনো বিলে সেই দিনের দরই বসে থাকে।
চলবে। টেকঅ্যাওয়ে অর্ডার আর ক্যাশ বুক — এটুকু দিয়েই শুরু করা যায়।
পান। রান্নাঘরের কর্মীর লগইনে কেবল রান্নাঘরের পর্দা — নতুন, রান্না হচ্ছে ও তৈরি আইটেম আলাদা সারিতে। চাইলে প্রতিটি দফার স্লিপও ছাপা যায়।
বিলের সময় যতটুকু পেলেন ততটুকু লিখুন, গ্রাহক বাছলে বাকিটা তাঁর নামে খাতায় ওঠে — পরে আদায় লিখলে খাতা মেলে।
যায়। “দ্রুত বিক্রি” পাতায় মেনু থেকে আইটেম চাপলে ঝুড়িতে ওঠে, এক চাপে বিল হয়ে রসিদ ছাপা যায় — টেবিল খুলতে হয় না। বিলটি অর্ডারের তালিকায় টেকঅ্যাওয়ে হিসেবে থাকে।
যায়। ফ্রি প্ল্যানে অ্যাকাউন্ট খুলে এক মাস পুরো সফটওয়্যারটি চালিয়ে দেখুন — টাকা লাগবে না, কার্ড লাগবে না। পছন্দ হলে পরে প্ল্যান নেবেন, তখন আগের সব হিসাব অক্ষত থাকবে।
ক্লাউডে, আপনার প্রতিষ্ঠানের নিজের ঘরে। অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান আপনার তথ্যের একটি সারিও দেখতে পায় না — এটি অনুমতির ব্যাপার নয়, তথ্য আনার সময়েই আটকানো।
ছয় ঘণ্টা পরপর নিজে থেকেই, আর রাতে একটি কপি গুগল ড্রাইভে। এছাড়া মাসে একবার পুরো হিসাবের একটি ফাইল আপনাকে দেওয়া হয় — নামিয়ে নিজের কাছেও রাখতে পারবেন।
যায়। প্রত্যেকের নিজের লগইন, আর কে কোন পাতা দেখবেন ও কী করতে পারবেন তা আপনি ঠিক করে দেবেন। কে কখন কী বদলেছেন তা-ও লেখা থাকে।
না। হাতেও হাজিরা নেওয়া যায়। আঙুলের ছাপের যন্ত্র থাকলে যুক্ত করে নিলে কাজটা নিজে থেকেই হয় — দেরি, ছুটি ও পালাসহ।
সফটওয়্যারটি ক্লাউডে, তাই ইন্টারনেট লাগে। তবে খুব কম — সাধারণ মোবাইল ডেটাতেই চলে, আর বিল বা রিপোর্ট ছাপতে বাড়তি কিছু লাগে না।
ফ্রি প্ল্যান আছে, আর টাকার প্ল্যানগুলোর দাম হোমপেজের “দাম ও প্ল্যান” অংশে দেখা যায়। প্ল্যান যেকোনো সময় বদলানো যায়, হিসাব অক্ষত থাকে।
টাকা লাগবে না, কার্ড লাগবে না। পছন্দ হলে পরে প্ল্যান নেবেন।